
১৯৭১ না আসলে, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে, শহীদ ও জীবিত মুক্তিযোদ্ধারা না থাকলে হয়তো কখনো বাংলাদেশের নাম মানচিত্রের গায়ে লেখা হতো না। মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান আমরা কখনো ভুলতে পারব না এবং তাদের অবদান পৃথিবীর কোন কিছুদিয়ে শোধ করা যাবে না। যদিও যারা জীবিত মুক্তিযোদ্ধা আছেন তাঁদের হয়তো কিছু ভাতা প্রদান করে একটু সম্মান দেখাতে পরছি, (যদিও এটাই যথেষ্ট নয়)। কিন্তু যারা শহীদ হয়েছেন তাঁদের জন্য আমরা কি করতে পারেছি ? আমাদের জনা; না জানা অনেক শহীদদের জন্য কিছু একটা করা উচিৎ সেটিই চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন মানিকগঞ্জের ইব্রাহিমপুর, গালিমপুর, বালিরটেক, চারিগ্রাম ও আরিচায় সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেয়া মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার “ বাবু রহমান “।
বীরমুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার “ বাবু রহমান “ জানান তাঁর সহযোদ্ধা ” শহীদ মাহফুজুর রহমান ” হরিরমপুরের যুদ্ধে আহত হয়ে ৭২ ঘন্টা পর শহীদ হন। তাঁর স্মৃতিতে আমরা “শহীদ মাহফুজ স্মৃতি সংসদ” গঠন করি।
তিনি আরও জানান বালিরটেকের নির্মানাধীন সেতুর নামকরন এই অকুতোভয় বীর যোদ্ধা ”শহীদ মাহফুজুর রহমান ” এর নামে করা হলে হয়তো নতুন প্রজন্ম ১৯৭১ কে কখনো ভুলবে না, এই শহীদের বীরত্তের কাহীনি নতুন প্রজন্মকে উৎসাহ-উদ্দিপনা দেবে এবং স্মৃতির ইতিহাস সংরক্ষিত হবে।
এই অকুতোভয় বীর যোদ্ধা ”শহীদ মাহফুজুর রহমান” এর নামে বালিরটেকের নির্মানাধীন সেতুর নাম করন করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
১৯৭১ না আসলে, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে, শহীদ ও জীবিত মুক্তিযোদ্ধারা না থাকলে হয়তো কখনো বাংলাদেশের নাম মানচিত্রের গায়ে লেখা হতো না। মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান আমরা কখনো ভুলতে পারব না এবং তাদের অবদান পৃথিবীর কোন কিছুদিয়ে শোধ করা যাবে না। যদিও যারা জীবিত মুক্তিযোদ্ধা আছেন তাঁদের হয়তো কিছু ভাতা প্রদান করে একটু সম্মান দেখাতে পরছি, (যদিও এটাই যথেষ্ট নয়)। কিন্তু যারা শহীদ হয়েছেন তাঁদের জন্য আমরা কি করতে পারেছি ? আমাদের জনা; না জানা অনেক শহীদদের জন্য কিছু একটা করা উচিৎ সেটিই চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন মানিকগঞ্জের ইব্রাহিমপুর, গালিমপুর, বালিরটেক, চারিগ্রাম ও আরিচায় সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেয়া মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার “ বাবু রহমান “।
বীরমুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার “ বাবু রহমান “ জানান তাঁর সহযোদ্ধা ” শহীদ মাহফুজুর রহমান ” হরিরমপুরের যুদ্ধে আহত হয়ে ৭২ ঘন্টা পর শহীদ হন। তাঁর স্মৃতিতে আমরা “শহীদ মাহফুজ স্মৃতি সংসদ” গঠন করি।
তিনি আরও জানান বালিরটেকের নির্মানাধীন সেতুর নামকরন এই অকুতোভয় বীর যোদ্ধা ”শহীদ মাহফুজুর রহমান ” এর নামে করা হলে হয়তো নতুন প্রজন্ম ১৯৭১ কে কখনো ভুলবে না, এই শহীদের বীরত্তের কাহীনি নতুন প্রজন্মকে উৎসাহ-উদ্দিপনা দেবে এবং স্মৃতির ইতিহাস সংরক্ষিত হবে।
এই অকুতোভয় বীর যোদ্ধা ”শহীদ মাহফুজুর রহমান” এর নামে বালিরটেকের নির্মানাধীন সেতুর নাম করন করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
0 comments:
Post a Comment